Posts

“ বেথুলীর বটগাছ ” প্রকাণ্ড বিস্তার শতাধিক বাহু তার, বয়স্ক বলে পাঁকা দাঁড়ি শরীরটা লোমে ভার। মাটি হতে বন্ধন, দাঁড়ি বেঁয়ে সারাক্ষণ। মোটাতাজা এরিয়া ভয়ঙ্কর বৃহদায়াতনে লক্ষ-পথিক দমে তাই পর্যটন বনে। খেলা করে প্রকৃতি পাখি হয় তার সাথী, কেউ করে ঝুলা-ঝুলি কেউ আবার মূল ধরে টানে, সবায় তাই মজা পাই উৎসব –ক্ষণে। বাহুতে বাহুতে শুধু তার লোহিত অলংকার শোভা পায়, একে একে মুকুল আসে ঋতু-ভেদে তাই। পাখীরা গান গায় হয়ে আত্মহারা পুলকে, কিচির-মিচির শব্দযোগে প্রেমের আলিঙ্গন করে। সে প্রকৃতির বড় আবদান সবুজাভ বটবৃক্ষ বলে, স্রষ্টাকে স্মরি গো তাই বসে ছায়া তলে। তবু কেন নিপীড়িত এই প্রতিভা আজ !! ঝিনাইদহ কালিগঞ্জের বেথুলী বটগাছ!!! মোঃ সালেমীর হোসেন ‘বেথুলী’

"নকশী কাঁথা"

নকশী কাঁথাই আঁক তুমি মাঠের বুনফুল, সে ফুলে ভাষা পাই       মনের কথা করে ভুল। আঁক তুমি মাঠঘাঁট প্রান্তর,        প্রকৃতি গাছপালা— মিশে যাই সে কাঁথাই       সদুর ঘনশামে হারায়ে তেপান্তর। আঁক তাতে আকাশ ,       মেঘ সাদা পালকে— পাখি হয়ে দানা মেলে       পাড়ি দেই শুন্নতা,  খেলা করে বাতাস।       সে মেঘের ডানাতে চড়ে, উড়ন্ত সে পাখি হয়ে       কল্পপরীর রাজত্তে, হয়ে উপকরন তুমি কর বিচরন      ঘুমাও সেথাই নকশী কাথা পেড়ে। সে ঘুম ভাঙেনা আর       চেষ্টা কর বারবার, ঘুমের ঘরেই আঁক তাই       মনের ফুল নকশী কাঁথাই।